বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

বীমা ক্ষতিপূরণ পেতে কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয়: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৯-০৩-১৫ ১৮:১৩:৩৮ || আপডেট: ২০১৯-০৩-১৫ ১৮:১৩:৪৪

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

শুধু বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ নয়, বীমা কোম্পানীর সাথে যুক্ত সাবাইকে, ক্ষতিপূরণ পাওয়ার ক্ষেত্রে যেন কোন গ্রাহক হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বড় ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে খুব বেশী ঝামেলা পোহাতে হয় না, কারণ বড় ক্ষতিপূরণ দাবি করে বড় কোম্পানীগুলো হয়ে থাকে। ছোট ক্ষতিপূরণের সময় দেখা যায়, অনেক ঘুরতে হয়, এটি যাতে না হয়, এ জন্য দয়া করে আপনারা কাজ করবেন, যাতে আস্থার সংকট দূর হয়।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) দুপুরে এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম মাঠে তৃতীয় বীমা মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আটাত্তর টি বীমা কোম্পানীর মধ্যে কয়েকটি কোম্পানি বা কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য সমগ্র বীমা বিভাগের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ুক, সেটা তো হতে পারে না। বীমা নিয়ে মানুষের সংশয় দূর করতে হবে। উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশকে সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার স্টেট হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকার কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, বিদেশি রাষ্ট্রগুলো প্রত্যেককে স্বাস্থ্যবীমা বাধ্যতামূলক করেছে। কিন্তু আমাদের দেশে কিছু কোম্পানি স্বাস্থ্য বীমা করেছে চালু তবে তা অল্প।কারখানার জন্য বীমা হয়, কিন্তু শ্রমিকের জন্য কোন বীমা হয় না। আহত, অঙ্গহানি ও নিহত হলে মালিকদের ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই শ্রমিকদের বীমার আওতায় আনতে হবে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বীমা না করার কারণে সম্পদ আগুনে পুড়ে গেলে মানুষ ক্ষতিপূরণ পায় না। বাংলাদেশ বীমাখাত বেশ এগিয়েছে ১৯৯০ সালে বাংলাদেশে বীমা খাতে প্রিমিয়াম আদায় ছিল এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার মতো। ২০১৭ সালে ১১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ভারতের জিডিপিতে বীমা খাতের অবদান হচ্ছে ৪ দশমিক ১ শতাংশ। কিন্তু আমদের জিডিপিতে বীমা খাতের অবদান হচ্ছে দশমিক ৬৭ শতাংশ। বীমা নিয়ে সচেতনতার অভাব আছে। এজন্য এই সংশয়গুলো দূর করতে বীমা কোম্পানীগুলোকে আরো কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, জীবন বীমা করপোরেশনের চেয়ারম্যান সেলিনা আফরোজ ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান। সভাপতিত্ব করেন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান পাটোয়ারীর।

বাংলাধারা/এনএস/এমআর/এসবি/বি

ট্যাগ :