বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

নগরীতে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে সবজির দাম

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-২৭ ১৬:৫২:১১ || আপডেট: ২০১৯-০৭-২৭ ১৬:৫২:১৭

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

নগরীতে লাগামহীন সবজির দাম। গত দুই সপ্তাহ ধরে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী। প্রায় সব ধরনের সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। বেশির ভাগ সবজির কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় উঠেছে।

কাঁচামরিচের দাম ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। তবে মাছের দাম কমছে। সমুদ্রে মাছ ধরা শুরু হওয়ার প্রভাব বাজারে পড়তে শুরু করেছে। মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।

কাঁচা বাজারগুলোতে বরবটি, তিতকরলা, কাকরোল ও বেগুন ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এসব সবজি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। পটোল, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৬০ টাকায়। ঢেঁড়শ, লাউ ও পেঁপে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এসব সবজি ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।

বিক্রেতারা জানান, বৃষ্টি ও বন্যার অজুহাতে আড়তদাররা সবজির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই আড়ত থেকে বেশি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে। আড়তদারদের দাবি, টানা বর্ষণের কারণে সবজি চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে বাজারে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে দামে। গত সপ্তাহে কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ১৫০ টাকা। আজ বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। টমেটোর দাম বেড়েই চলেছে। কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা।

ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৩০-৩৫ টাকায় স্থিতিশীল থাকলেও রসুনের দাম বেড়েছে। কেজিপ্রতি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে চায়না রসুন। চায়না আদার কেজি ১৩০-১৩৫ টাকা।

এদিকে সামুদ্রিক মাছের দাম কমতে শুরু করেছে। ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকায়। আকারভেদে প্রতি কেজি রূপচাঁদা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকায়।

রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২২০ থেকে ৩২০ টাকায়। কাতলা ২৫০ থেকে ৩০০, কোরাল আকারভেদে ৪৫০ থেকে ৮০০, সুরমা ৪৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ থেকে ১৮০, কই ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৪০, শিং ৪০০ থেকে ৭০০ এবং মাগুর মাছ ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। স্থিতিশীল রয়েছে মাংসের দাম। ফার্মের মুরগি বাজারভেদে কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায়।

বাংলাধারা/এফএস/এমআর/টিএম

ট্যাগ :