বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯

সারাফ নাওয়ারের দু’টি কবিতা

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-০৪ ১২:৪৮:৫৫ || আপডেট: ২০১৯-০৮-০৪ ১২:৪৯:০১

দূরত্বের নিকটতম

সেই সুদূর থেকেও স্বদেশ কেঁদে উঠে তোমার ভেতর- কাচের শহরে।

বাংলার পাখি উড়ে মনের আকাশে; পলকা হাওয়ায় বাবুইয়ের ঝুলন্ত বাসা দোলে চোখের কার্ণিশে অথচ পাখিটিও আজ বিলুপ্তির দিকে। স্বপ্নের মেঠো পথ ধরে ফিরে আসে বাউল একতারা হাতে গেরুয়া পোশাকে- তখনই ক্রান্তিকাল কেটে যায় বাংলাদেশের। আমাদের পূর্বপুরুষ বিচরণরত অন্তরের সবুজ-শ্যামল নৈস্বর্গিক জীবনে।

ধাতব সোনা বাংলার মাটির চেয়ে অমূল্য নয়- এই মর্মে তেরশো নদীর জন্ম যে বদ্বীপে তারা তোমার নাম জানে; তোমার গায়ের সম্মোহনী গন্ধ চেনে দূরান্ত থেকেও।

পাহাড়ের চূড়া যতই উঁচু ভীত তার ভূমির গভীর-সংলগ্নে- স্বদেশ স্পষ্ট হয় প্রবাস জীবনে…

জন্ম তারিখ- ধ্রুবতারা

তোমার ক্যালেন্ডারের নাম- নক্ষত্রলোক
তারারা সংখ্যা হলে
জন্ম তারিখ- ধ্রুবতারা।
যে দিনে ভরা যৌবনে মাতোয়ারা-
পাতালের নদী
অরণ্যপ্রেমে নেমে আসে মুষল বৃষ্টি 
লতায়-পাতায় শিহরণে জলকম্পন
বনের মনাঞ্চল সবুজতর তখনই।

বাতাসে বাতাসে-
পাহাড়-পর্বতও জেনে যায়
তোমার জন্মবৃত্তান্ত

মনের বালিকা অরণ্যচারী
কখনও সে লোকালয়ে-
যে কিনা জলকুমারী

আকাশে মেঘের আবির- ধ্রুবতারার দিনে
বিনিদ্রা যাপনে উল্লসিত রাতের হৃদয় 
মন খুঁজে মনের যুগল
পথ আঁকে প্রতীক্ষার বাঁক…

তোমার জন্মদিনের প্রজাপতিই জলকুমারী

মিতকথা, মৃদু হাসি- ফটোগ্রাফে
তোমাকে মানায়…

ট্যাগ :