বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯

প্রেম করে বিয়ের পরির্বতে যুবক শ্রী ঘরে

প্রকাশ: ২০১৯-১০-১৫ ১৯:২৯:৪৩ || আপডেট: ২০১৯-১০-১৫ ১৯:২৯:৪৪

পটিয়া প্রতিনিধি »

প্রেম ভালোবাসা বিয়ে করার সাধ অপুরনই রইল মো. সানি (১৯) নামের এক প্রমিক কিশোরের। বিয়ের পরিবর্তে তার ভাগ্যে জুঠেছে এক সপ্তাহের কারাদন্ড।

গতকাল্ সোমবার রাতে পটিয়া শাহচান্দ আউলিয়া মাজার গেইট এলাকার একটি কাজী অফিসে ভ্রাম্যমান আদালত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সানিকে আটক করার পর এক সপ্তাহের কারাদন্ড দিয়েছেন। সানি চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী এলাকার খোরশেদ আলমের পুত্র। তার প্রেমিকা তানজিনা ইসলাম (১৯) একই উপজেলার গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্রী।

জানা যায় , সাতকানিয়া উপজেলার খাগড়িয়া এলাকার বাসিন্দা ও গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের কলেজ ছাত্রী তানজিনার সঙ্গে দোহাজারী এলাকার ওয়ার্কশপ শ্রমিক সানির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে । সানি পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের শ্রীমাই এলাকায় একটি ওয়ার্কশপে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। সোমবার সানির প্রেমিকা তানজিনা ঘর থেকে বেরিয়ে সরাসরি সানির দোকানে চলে আসে। সন্ধ্যার পর কিশোরী দোকানে অবস্থান নেওয়ার দৃশ্য এলাকার লোকজন দেখে তাদের সন্দেহ হয়।

এনিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকাকে মারধর করে স্থানীয়রা । এলাকাবাসী শাহচান্দ আউলিয়া মাজার গেইট এলাকার কাজী আব্বুস আলীর কাছে বিয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও খবর পেয়ে বাঁধ সাধে ভ্রাম্যমান আদালত। পটিয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাবিবুল হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ের পরিবর্তে প্রেমিক সানিকে সাত দিনের কারাদন্ড দেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও পটিয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান জানান, মেয়েটি কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী হলেও প্রেমের টানে ওয়ার্কশপ শ্রমিকের সঙ্গে দেখা করতে পালিয়ে আসে। পরে এলাকার লোকজন অশ্লীলভাবে মেলামেশার সংবাদ দেওয়ার পর অভিযান চালিয়ে বিয়ের পরিবর্তে কিশোর সানিকে সাত দিনের কারাদন্ড দেয়া হয় এবং কিশোরীকে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :