বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯

‘বিশ্ব খাদ্য দিবস’ উপলক্ষে সিভাসুতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী-আলোচনা সভা

প্রকাশ: ২০১৯-১০-১৬ ১৭:৪৪:০৩ || আপডেট: ২০১৯-১০-১৬ ১৭:৪৪:১০

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০১৯ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে ফুড সায়েন্স এন্ড টেকনোলোজি অনুষদের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রায় শিক্ষক, কর্মকর্তা-ছাত্রছাত্রী ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০১৯ এর প্রতিপাদ্য হল- “আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ পুষ্টিকর খাদ্যেই হবে আকাঙ্ক্ষিত ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী”।

শোভাযাত্রা শেষে সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব খাদ্য দিবসের আলোচনা সভা।  ফুড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. জান্নাতারা খাতুন-এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবদুল আহাদ, বহিরাঙ্গন পরিচালক প্রফেসর ড. এ.কে.এম. সাইফুদ্দীন, স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), চট্টগ্রাম এর উপ-পরিচালক মো. শওকত ওসমান, কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) চট্টগ্রামের সভাপতি এস এম নাজের হোসেন, ফুলকলি লিমিটেড এর জেনারেল ম্যানেজার এম এ সবুর।

আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফুড প্রসেসিং এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. জাকিয়া সুলতানা জুথি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এপ্লাইড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের প্রধান ফাহাদ বিন কাদের। 

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপি একদিকে খাদ্যের অপচয় হচ্ছে অন্যদিকে অনেকেই অভুক্ত থাকছে। জাঙ্কফুড বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, অপুষ্টির ক্ষেত্রে জাঙ্কফুড হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এধরণের খাবার গ্রহণের ফলে মানুষের রুচি নষ্ট হয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিক খাবারের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

বক্তারা আরও বলেন, কিছু ব্যবসায়ী মুনাফার উদ্দেশ্যে খাবারে ক্ষতিকর রং মিশিয়ে মানব স্বাস্থ্যকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :