বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯

সীতাকুণ্ডে ১১৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

প্রকাশ: ২০১৯-১১-০৯ ১৮:৪৪:৫৫ || আপডেট: ২০১৯-১১-০৯ ১৮:৪৫:০১

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

সীতাকুণ্ডে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় ও উপকূলীয় লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে ১১৫টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন বলেও জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ঘূর্ণিঝর মোকাবেলায় সার্বিক প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করতে শুক্রবার বিকাল থেকে দফায় দফায় বৈঠক করেছে উপজেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকেই উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করার জন্য স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে সলিমপুর, কুমিরা, ভাটিয়ারী,সোনাইছড়ি,বাড়বকু-,মুরাদপুর ও সৈয়দপুর উপকুলীয় এলাকায় মাইকিং শুনে শনিবার সকাল থেকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আর আতংকে আশ্রয় কেন্দ্রে ছুটটে উপকূলীয় এলাকাবাসী। তারা নিজেদের নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল ও পোষা গরু, ছাগল মুরগি নিয়ে দূর্যোগ মোকাবেলার প্রত্যয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে ভীড় করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন রায় জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় এলাকা ৫৯টি সাইক্লোন  সেন্টার, ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৪টি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় সিপিপির ৫শ স্বেচ্ছাসেবক,মেডিকেল টিম, পর্যাপ্ত ওষুধ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপকুলীয় এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হচ্ছে। তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সন্দ্বীপ চ্যানেলে সকল প্রকার নৌ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :