বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯

কেটে গেছে বিপদ, স্ব‌স্তি সারাদেশে

প্রকাশ: ২০১৯-১১-১০ ১১:২৬:৫৬ || আপডেট: ২০১৯-১১-১০ ১১:২৭:০২

বাংলাধারা প্রতিবেদন »  

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের শঙ্কা অনেকটা স্বস্তিতে রূপ নিয়েছে । কেটে গেছে বিপদ । আবহাওয়া অধিদপ্তর মংলা , পায়রা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে । এ ছাড়া নেীযান চলাচলে দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এ দিকে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী  অনেকটা দুর্বল হয়ে এটি উত্তর-পূর্ব দিকে এগোচ্ছে। এর প্রভাবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় দিনভর মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়। ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হলেও জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা এখনো আছে বলে জানান আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকর্তা।

ব্রিফিং এ জানানোে হয়,  উত্তর বঙ্গোপসাগর এখনো অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। নৌকা ও ট্রলারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। এটি তার অবস্থান থেকে ক্রমান্বয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

রোববার (১০ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আশঙ্কায় দেশের যেসব জায়গায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হয়েছিল সেসব জায়গা থেকে মহাবিপদ সংকেত তুলে নেয়া হয়েছে, জারি করা হয়েছে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত।

নৌ-রুটগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত মেনে চলতে হবে বলেও জানান তিনি।

এ দিকে এবারও ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুলকে ’ শেষ পর্যন্ত সুন্দরবন দূর্বল করে দিয়েছে। প্রথমে ভারতীয় অংশের সুন্দরবনের সাগরদ্বীপে ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত করে। এরপর এটি বাংলাদেশের সুন্দরবনের খুলনা অংশে ঢুকে পড়ে।  সুন্দরবনের গাছপালায় বাধা পেয়ে দুর্বল ‘বুলবুলের’ কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ২০ কিলোমিটার কমে যায়। জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতাও কমে আসে। এর আগে ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় সিডর এবং ২০০৯ সালের ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় আইলা একইভাবে সুন্দরবনে বাধা পেয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

অন্যদিকে,  আঘাত হানার সময় সাগরে ভাটা থাকায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুল অনেকটা শক্তিহীন হয়ে পড়ে । এর ফলে ক্ষয়ক্ষতি কম হয় । রাত ৮ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে জোয়ার হয়ে থাকে। রাত ২ টায় ভাটার সময় বুলবুল আঘাত হানে।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :