বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০

মাটিরাঙ্গায় পিইসি-তে উপজেলার সেরা স্কুল ‘বনশ্রী বিদ্যানিকেতন’

প্রকাশ: ২০২০-০১-০৪ ২২:০৮:৩৪ || আপডেট: ২০২০-০১-০৪ ২২:০৯:০২

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি »  

খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার সব স্কুলকে পেছনে ফেলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) অতীতের সকল রেকর্ডকে মাটিরাঙ্গা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ছাড়িয়ে গেছে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন পরিচালিত মাটিরাঙ্গা বনশ্রী বিদ্যানিকেতন। সদ্য ঘোষিত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) শতভাগ পাশসহ ফলাফলের দিক মাটিরাঙ্গা উপজেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলো ‘মাটিরাঙ্গা বনশ্রী বিদ্যানিকেতন’।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) অত্র বিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ফলাফলে শতভাগ পাশসহ সবোচ্চ ২১ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করে। এ ফলাফলের মাধ্যমে মাটিরাঙ্গায় উপজেলা পর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষস্থান ধরে রাখা মাটিরাঙ্গা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ছাপিয়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ‘মাটিরাঙ্গা বনশ্রী বিদ্যানিকেতন’।

শতভাগ পাশসহ সর্বোচ্চ সংখ্যক জিপিএ-৫ পাওয়ার পেছনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্ঠা ভমিকা রেখেছে মন্তব্য করে মাটিরাঙ্গা বনশ্রী বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমের ফলে উপজেলা পর্যায়ে শীর্ষে আসা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে এর চেয়েও ভালো ফলাফল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি এ ফলাফল বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহি অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ-কে উৎস্বর্গ করেন।

এমন অবাবনীয় ফলাফলের জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে মাটিরাঙ্গা বনশ্রী বিদ্যানিকেতন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকের সমন্বয়ে এমন ফলাফল সম্ভব। তিনি বলেন, যুগোপযোগী শিক্ষা বিস্তারে বনশ্রী বিদ্যানিকেতন আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ভবিষ্যতে ফলাফলের ধারাবাহিকতা রক্ষায় এখন থেকে প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য শিক্ষকদের নির্দেশনা দেন তিনি। পাশাপাশি যেসকল প্রতিষ্ঠান ফলাফল বা জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে পিছিয়ে আছে তাদেরকেও ভালো ফলাফল অর্জনে আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ দেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :