বাংলাদেশ, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২০

সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রকাশ: ২০২০-০১-০৫ ১৪:৪৪:১৮ || আপডেট: ২০২০-০১-০৫ ১৪:৪৪:১৯

বাংলাধারা ডেস্ক »

অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এস কে সিনহা) ১১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এবিষয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ২২ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

রবিবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন। এ মামলায় মোট ১১ আসামির মধ্যে ফারমার্স ব্যাংকের নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতীর (বাবুল চিশতী) অন্য মামলায় কারাগারে আছেন।

গত ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। অভিযোগত্রে ফারমার্স ব্যাংকের নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতীর (বাবুল চিশতী) নাম নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ফারমার্স ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গুলশান শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. জিয়া উদ্দিন আহমেদ মারা যাওয়ায় তাকে এই মামলার দায় থেকে অব্যাহতির আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি একেএম শামীম, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রাক্তন ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সফিউদ্দিন আসকারী আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের মো. শাহজাহান, নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, সাভারের শ্রীমতি সান্ত্রী রায় (সিমি), শ্রী রনজিৎ চন্দ্র সাহা ও মো. মাহবুবুল হক চিশতীর (বাবুল চিশতী)।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদের লাভবান করে অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন ও বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করে অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় উত্তোলন, স্থানান্তর ও নিজেদের ভোগদখলে রেখে অবৈধ প্রকৃতি উৎস অবস্থান গোপন করে পাচার করেছেন যা দন্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

২০১৯ সালের ১০ জুলাই ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ঋণের মাধ্যমে চার কোটি টাকা স্থানান্তর ও আত্মসাৎ করার অভিযোগ মামলাটি করে দুদক। এরপর গত ৪ ডিসেম্বর এই মামলায় অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :