বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২০

সোয়া ৮ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ শুরু করেছে কক্সবাজার পৌরসভা

প্রকাশ: ২০২০-০১-০৫ ১৪:১৯:০৪ || আপডেট: ২০২০-০১-০৫ ১৪:১৯:১০

কক্সবাজার প্রতিনিধি 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনা গ্রাম হবে শহর। সেই ঘোষণার রূপান্তরে ১০টি বস্তির সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করেছে কক্সবাজার পৌরসভা। তৃতীয় নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ (সেক্টর) প্রকল্প ইউজিপি-থ্রি’র অধিনে ৮ কোটি ১৭ লাখ ৪৮ হাজার ৫১৪ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে এ প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে। কিন্তু পূর্তকাজ বাস্তবায়নে প্রাথমিক বরাদ্ধ এসেছে ২ কোটি ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

শুক্রবার বিকেলে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের এসএম পাড়ায় বস্তি উন্নয়নের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন কক্সবাজার পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান।

পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম জানান, এ প্রকল্পে শুধুমাত্র এসএম পাড়ায় ৯১১ মিটার ফুটপাত, ৯১১ মিটার ড্রেন, ৫টি টিউবওয়েল, ৫টি টয়লেট, ১০টি সোলার স্ট্রিট লাইট, একটি ডাস্টবিন এবং ১০০টি বৃক্ষরোপনসহ আনুসাঙ্গিক ব্যয়ের জন্য প্রাথমিক বরাদ্ধ এসেছে ৮২ লাখ ৪৫ হাজার ২৯২ দশমিক ৩৭ টাকা।

একইভাবে ৩নং ওয়ার্ডের কানাইয়ারপাড়া বস্তি উন্নয়নের জন্য ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার টাকা, ৪নং ওয়ার্ড পেশকারপাড়া বস্তি উন্নয়নে ৮২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫৭ টাকা, ৬নং ওয়ার্ড পল্যাইন্যাকাটা বস্তি উন্নয়নে ৭৯ লাখ ৮২ হাজার ৬১১ টাকা, ৭নং ওয়ার্ড টেকনাফ পাহাড় আশুরঘোনা বস্তি উন্নয়নের জন্য ৮৩ লাখ ৭৭ হাজার ২৪১ টাকা, একই ওয়ার্ডের অলিরঘোনা হালিমা পাড়া বস্তি উন্নয়নের জন্য ৮৩ লাখ ১১৫ টাকা, ৯নং ওয়ার্ড মৌলভী পাড়া বস্তির উন্নয়নে ৮৩ লাখ ৮৬ হাজার ৫৮৮ টাকা, একই ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোনারপাড়া বস্তির উন্নয়নে ৮২ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩৫ টাকা, ১২নং ওয়ার্ড ফাতেরঘোনা লাইট হাউজ পাড়া বস্তি উন্নয়নে ৮৩ লাখ ২০ হাজার ৩০০টাকা, একই ওয়ার্ড’র আদর্শ গ্রাম বস্তি উন্নয়নে ৮২ লাখ ৬৯ হাজার ২৬৯ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে।

উন্নয়নকাজ শুরু হওয়া এলাকার উপকারভোগীদের মতে, কাউন্সিলরদের সহযোগিতায় মেয়রের নেয়া বস্তি উন্নয়ন প্রকল্প অবহেলিত এলাকার জীবনযাত্রা পাল্টে দিবে। শুরু হওয়া কাজ বাস্তবায়িত হলে বদলে যাবে অনুন্নত বস্তিগুলোর দুর্ভোগের চেহারা। দীর্ঘদিন পর হলেও আমাদের অধিকার বাস্তবায়ন শুরু করায় পৌর পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হিসেবে এসব উন্নয়ন পৌরবাসীর অধিকার। নানা কারণে এসব কাজ না হওয়ায় তৃতীয় শ্রেণীর পৌর এলাকার মতো সুযোগ ভোগ করেছে অধিবাসীরা। পৌরকর আদায় করা বাসিন্দারের ন্যায্য অধিকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রাম হবে শহর’ ঘোষণা বাস্তবায়নে বস্তি উন্নয়নের কাজগুলো শুরু হয়েছে। এখন শতভাগ স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার সাথে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা দরকার।

এ ব্যাপারে নজর রাখতে স্ব-স্ব ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের প্রতি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন মেয়র।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :