বাংলাদেশ, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২০

অল্প সময়ে তেল খালাসে সমুদ্রের নিচে বসানো হচ্ছে পাইপলাইন

প্রকাশ: ২০২০-০২-২৬ ১৭:৫৫:৫৮ || আপডেট: ২০২০-০২-২৬ ১৭:৫৬:০৫

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

চট্টগ্রাম বন্দরে নাব্য সঙ্কট থাকায় গভীর সমুদ্রে তেল নিয়ে আসে বড় জাহাজ। তারপর তা খালাস করে ছোট ছোট জাহাজে আনা হয় পরিশোধনাগারে। যা ব্যয়বহুল ও সময় সাপেক্ষ। এই সমস্যা থেকে বের হতে, সমুদ্রের নীচ দিয়ে পাইপ লাইন বসানো শুরু করেছে বিপিসি। চীনের ঋণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চায়না পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড। সমুদ্রে ১৫৪ কিলোমিটার আর স্থলভাগে বসবে আরও ৭৪ কিলোমিটার ডাবল পাইপ লাইন।

চলমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে জাহাজ আসবে মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে। সেখান থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে মহেশখালীতেই স্টোরেজ ট্যাঙ্কে আনা হবে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল। পরে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে তেল আসবে চট্টগ্রামের ইস্টান রিফাইনারিতে। কিন্তু সেই তেল পরিশোধন করতে রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ চলছে ঢিমেতালে। প্রকল্পের মূল কাজই শুরু হয়নি এখনও।

চীনের অর্থায়নে চলছে, গভীর সমুদ্রের নিচ দিয়ে পাইপ লাইনের নির্মাণ কাজ। প্রক্লপটি বাস্তবায়ন হলে তেল খালাসের জন্য ১১ দিনের জায়গায় সময় লাগবে মাত্র ৪৮ ঘণ্টা।

বিপিসির সূত্র বলছে, চীনা শ্রমিক ও প্রকৌশলীদের কেউ ছুটিতে না থাকায় করোনাভাইরাসের কোন নেতিবাচক প্রভাব নেই এই প্রকল্পে। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা চীনের অর্থায়নে বঙ্গোপসাগরের তল দেশ দিয়ে প্রায় দেড় শ’ কিলোমিটার পাইপলাইন বসাচ্ছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন।

বিপিসির চেয়ারম্যান সামছুর রহমান বলেন, আমরা অল্পসময়ে মাত্র ২৪-৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এই পাইপলাইনের সাহায্যে আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারব, যেটি আগে ৩-৪দিন সময় লাগত এবং এতে খরচের পরিমাণ নাই বললেই চলে। পাশাপাশি আবহাওয়াজনিত বা অন্যকোন কারণে তেলের সাপ্লাই লাইনে কোন রকম ইন্টারাপশন হবে না।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :