বাংলাদেশ, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০

করোনার প্রাদুর্ভাব শিগগিরই শেষ হচ্ছে, দাবি লেভিটের

প্রকাশ: ২০২০-০৩-২৪ ১২:৪০:২৪ || আপডেট: ২০২০-০৩-২৪ ১২:৪০:২৫

বাংলাধারা ডেস্ক »

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনভাইরাস মহামারির শেষ খুব শিগগিরই বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন রসায়নশাস্ত্রে নোবেলজয়ী জৈবপদার্থবিদ মাইকেল লেভিট। চীনে এ ভাইরাসে আক্রান্তের ক্রমহ্রাসমান সংখ্যার উল্লেখ করে তিনি এ ভবিষ্যদ্বাণী করেন। একই সঙ্গে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, মার্চ মাসের শেষে ভাইরাসটি চীন থেকে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

লেভিট বলেন, প্রাথমিকভাবে চীনের হুবেই প্রদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার প্রতিদিন ৩০ শতাংশ হারে বাড়ছিল। কিন্তু ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে আক্রান্তের সংখ্যা সরলরৈখিকভাবে কমতে শুরু করে এবং নিহতদের সংখ্যাও একইভাবে কমছিল।

এভাবে লেভিট এই ‘বক্ররেখার নাটকীয় পরিবর্তনটি মধ্যবিন্দু চিহ্নিত করেছিলেন’। যার মাধ্যমে তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, পনেরো দিনের মধ্যে চীনের পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে। এখন চায়নায় করোনাআক্রান্তের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। দেশটিতে রোববার নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৯, যারা বিদেশ ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে আক্রান্ত হয়েছেন।

লেভিট বলেন, করোনা নিয়ে কথা উঠলেই এটি মানুষকে অনেক ভয় দেখায়। কারণ প্রতিদিনই তারা নতুন নতুন আক্রান্তের খবর পায়। তবে বিষয় হচ্ছে, সংক্রমণের হার ধীর হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো মহামারীটির সমাপ্তি খুব কাছাকাছি এসে গেছে।

লেভিট আরও দাবি করেন, বেশিরভাগ ব্যক্তির শরীরে কোভিড-১৯ প্রতিরোধের প্রাকৃতিক রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যে ভাইরাস সংক্রমণের মধ্য অবস্থা অতিক্রম করেছে এবং ইতালিতে বয়স্ক জনসংখ্যার হার বেশি থাকায় দেশটিতে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। খবর জেরুজালেম পোস্টের।

এদিকে এই মহামারি এখন আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস।

গতকাল সোমবার ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‌‘বৈশ্বিক এই মহামারি দ্রুত বিস্তার লাভ করছে।

বিশ্বের ১৯৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে মারা গেছেন ১৬ হাজার ৫১৪ জন। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪৮। অপরদিকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ২ হাজার ৬৯ জন।

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ইউরোপের দেশ ইতালিতে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে ৬০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে মৃত্যু ৬ হাজার ৭৭। মোটা আক্রান্তের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৯২৭। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৭ হাজার ৪৩২ জন। চীনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮১ হাজার ১৭১ এবং মারা গেছে ৩ হাজার ২৭৭ জন।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ

ট্যাগ :