বাংলাদেশ, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

পদ্মা সেতুর ৩০তম স্প্যন বসছে শীঘ্রই

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৩ ২০:৪৩:৩৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৩ ২০:৪৩:৪০

বাংলাধারা প্রতিবেদন »  

ঈদের পর পরই বসছে পদ্মা সেতুর ৩০তম স্প্যান। থেমে নেই পদ্মা সেতুর কাজ। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও এগিয়ে চলছে সেতুর কাজ। চলতি মাসের শেষের দিকে জাজিরা প্রান্তের ২৬-২৭ নম্বর পিলারের উপর বসানো হবে ‘৫বি’ নামের ৩০তম স্প্যানটি। ধূসর রঙের এ স্প্যানটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার আর ওজন তিন হাজার ১৪০ টন। স্প্যানটি বসে গেলে দৃশ্যমান হবে সেতুর ৪ হাজার ৫০০ মিটার।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দায়িত্বশীল প্রকৌশলী জানান, আগামী শনিবারকে (৩০ মে) টার্গেট করেই বর্তমানে সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে স্প্যানটির পেইন্টিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আনুষঙ্গিক কিছু কাজ শেষে স্প্যানটি আগামী শনিবার নাগাদ বসানোর হবে। এদিকে, ৩১ তম স্প্যানটি পেইন্টিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে, যা ২৫-২৬ নম্বর পিলারের উপর বসানো হতে পারে ১৫ জুনের মধ্যে। ৩০-৩১তম এই দুইটি স্প্যান বর্ষা মৌসুমের আগে বসানো সম্ভব হলে জাজিরা প্রান্তের সব স্প্যান বসানো শেষ হবে।

পদ্মাসেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের  জানান, অস্বাভাবিক ও দুর্যোগকালীন সময়েও প্রকল্পের পরামর্শক, ঠিকাদার, দেশি-বিদেশি প্রকৌশলী, নির্মাণ শ্রমিক ও কর্তৃপক্ষের সহায়তায় পদ্মাসেতু প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই মাসের শেষ দিকে সেতুর ৩০তম স্প্যান জাজিরা প্রান্তে ২৬-২৭ পিলারের উপর বসানো হবে। ইতোমধ্যে স্প্যানটির পেইন্টিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে হ্যান্ড রেল, স্টেয়ার, ব্যালান্স লোড স্থাপনের কাজ চলছে। অন্যদিকে, ৩১তম স্প্যানটির বর্তমানে পেইন্টিং কাজ চলমান। জুন মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ৩১তম স্প্যানটিও ২৫ ও ২৬ নম্বর পিলারের উপর বসানো সম্ভব হবে।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে পদ্মাসেতুতে ২৯টি স্প্যান বসিয়ে দৃশ্যমান আছে ৪ হাজার ৩৫০ মিটার। সেতুতে ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাবের এবং দুই হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। মূলসেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। আগামী বছরের মাঝামাঝি পদ্মা সেতু খুলে দেবার কথা থাকলেও করোনার কারণে তা কিছুটা এদিক সেদিক হতে পারে।

সূত্র : কালের কণ্ঠ

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :