বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০

সাহারা খাতুনের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া চাইলেন নওফেল

প্রকাশ: ২০২০-০৬-২১ ১৭:০৯:০৯ || আপডেট: ২০২০-০৬-২১ ১৭:০৯:৪৪

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া চাইলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে সামাজিকে যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রোগমুক্তি কামনা করেন উপমন্ত্রী।

মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘তিনি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী যখন ছিলেন একটি ছোট্ট কাজে গিয়েছিলাম। আমাকে বসিয়ে রেখে যেখানে সেই কাজ আটকে ছিলো নিজে ফোন করে সমাধান করলেন। প্রশাসনের সকল বিষয়ে, টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি, সরকারের রাজস্ব, নানান বিষয়ে অসাধারণ দক্ষতা জ্ঞান আমি বসে বসে দেখছিলাম, একজন দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত দায়িত্ব অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে পালন করে যাচ্ছিলেন।

অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের বিরামহীন কর্মযজ্ঞের কথা কথা উল্লেখ করে উপমন্ত্রী বলেন, এখন এই বয়সেও এই করোনা মহামারিতে নিজেকে আবদ্ধ করে না রেখে জনগনের সুখ দুঃখের খবর নিয়েছেন, ত্রাণ দিয়েছেন, করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

শিক্ষা উপমন্ত্রী সাহারা খাতুনের রোগমুক্তি ও তার জন্য দোয়া কামনা করে বলেন, ‘জীবনে বিলাসিতা দুরের কথা, নিজের সংসার পরিবারও করেননি। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন এডভোকেট সাহারা খাতুনের রোগমুক্তি হোক, এই দোয়া করি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে।’

এর আগে জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ায় তাঁকে ২ জুন ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর অবস্থার উন্নতি হলে বেডে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আবার অবস্থার অবনতি হলে গত শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ১১ টার দিকে তাঁকে ইউনাইটেড হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। তবে ৭৭ বছর বয়সী সাহারা খাতুনের করোনাভাইরাস পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছে।

১৯৪৩ সালের ১ মার্চ ঢাকার কুর্মিটোলায় জন্মগ্রহণ করেন সাহারা খাতুন। তার বাবার নাম আব্দুল আজিজ ও মাতার নাম টুরজান নেসা। সাহারা খাতুন তিন মেয়াদ ধরে ঢাকা-১৮ আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।

২০০৮ সালে মহাজোট ক্ষমতায় এলে প্রথমে তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়। পরে সেখান থেকে সরিয়ে পাঠানো হয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে।

সাহারা খাতুন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। আওয়ামী লীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক মহিলা আইনজীবী সমিতি ও আন্তর্জাতিক মহিলা জোটের সদস্য।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ

ট্যাগ :