বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০

চট্টগ্রামে করোনা চিকিৎসায় আরও তিন ফিল্ড হাসপাতাল

প্রকাশ: ২০২০-০৬-২২ ১৫:৫৩:৩৫ || আপডেট: ২০২০-০৬-২২ ১৫:৫৩:৩৬

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে গড়ে তোলা হচ্ছে আরও ৩টি ফিল্ড হাসপাতাল। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এসব হাসপাতালে কোভিড, নন-কোভিড সব রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হবে। থাকবে বহির্বিভাগও।

এর আগে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চট্টগ্রামে ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেন চিকিৎসক বিদ্যুৎ বড়ুয়া। আধুনিক সুবিধার হাসপাতালটিতে শুধু করোনার রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে এটিই প্রথম ‘ফিল্ড হাসপাতাল’।

হাসপাতালের প্রধান উদ্যোক্তা ও চিকিৎসক বিদ্যুৎ বড়ুয়া বলেন, করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য চট্টগ্রামে একটি ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণ করতে মনস্থির করেছিলাম। ফেসবুকে পোস্ট দিলে নাভানা গ্রুপের কর্ণধার এগিয়ে আসেন। আধুনিক সুবিধা সংবলিত হাসপাতালটি প্রস্তুত করতে ১৫ দিন লেগেছিল বলে জানান বিদ্যুৎ বড়ুয়া।

ক্রমেই নাজুক হয়ে উঠছে চট্টগ্রামের করোনা পরিস্থিতি। জরুরি চিকিৎসা না পেয়ে হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের। নানা উপসর্গ থাকা রোগীদেরও মৃত্যু হচ্ছে বিনাচিকিৎসায়।

সাধারণ মানুষের এমন দুঃসময়ে এগিয়ে এসেছে কিছু মানবিক মানুষ-প্রতিষ্ঠান। গড়ে তুলছে ফিল্ড হাসপাতাল। এই যেমন, নগরীর পতেঙ্গায় বিমানবন্দরের পাশেই সিএমপির সহায়তায় হাসপাতাল গড়ে তুলছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। যেখানে কভিড, নন-কভিড সব রোগীকেই সেবা দেয়া হবে। জুলাইর প্রথমদিকে ৫০ শয্যা দিয়ে শুরু করে পরে উন্নীত হবে একশতে।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক জামাল উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ১০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। একটি ভবনে প্রাথমিকভাবে ৫০ শয্যা দিয়ে হাসপাতাল শুরু হবে। পরে ১০০ শয্যায় রূপান্তরিত করা হবে। এখানে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম থাকবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ মোট ১২ চিকিৎসক সার্বক্ষণিক রোগীদের সেবায় থাকবেন। পাশাপাশি ১৮ জন নার্স ও ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবেন।

কাঠগড় এলাকায় পতেঙ্গা উচ্চবিদ্যালয়ে এক চিকিৎসকের উদ্যোগে হচ্ছে আরেকটি হাসপাতাল। ২১ শয্যা দিয়ে শুরু করে যাকে পর্যায়ক্রমে উন্নীত করা হবে পঞ্চাশে। থাকছে বহির্বিভাগ সুবিধাও।

করোনা দুর্যোগের আরেক সারথী আল-মানাহিল ফাউন্ডেশনও হালিশহরে স্থাপন করছে ফিল্ড হাসপাতাল। ৭৫ শয্যার এ হাসপাতাল ২৫ জুন চালুর কথা রয়েছে। তাতেও থাকবে নানা সুযোগ-সুবিধা। সব হাসপাতালই হচ্ছে স্থানীয়দের সহযোগিতায়। যাতে বিনামূল্যে সেবা পাবে সাধারণ মানুষ।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ

ট্যাগ :