বাংলাদেশ, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০

ডা. ফয়সলের যত বিতর্কিত ‘আমলনামা’

প্রকাশ: ২০২০-০৬-২৩ ১৮:৩৪:৪৩ || আপডেট: ২০২০-০৬-২৩ ১৮:৫৪:৪৩

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

নতুন নতুন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্ম দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী। বিএমএ’র এই নেতার ‘আমলনামা’য় যুক্ত হচ্ছে একের পর এসব বিতর্কিত অধ্যায়।

সম্প্রতি তার আমলনামায় যুক্ত হলো হত্যা করার মতো হুমকির অভিযোগ। চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনির লাশ ফেলার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এই বিএমএ নেতার বিরুদ্ধে। হত্যার হুমকির অডিওটি ঘোরপাটক খাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও। চলছে তর্ক-বিতর্ক। একজন চিকিৎসকের এমন আচরণ সচেতন মহলকে নাড়া দিয়েছে।

এদিকে ডা. ফয়সলের এমন কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন তথ্যও বেরিয়ে আসে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এমনকি তার বিভিন্ন বিতর্কিত পূর্ব ঘটনার তথ্য বেরিয়েও আসে। এতে তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের ‘আমলনামা’ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘ হচ্ছে।

সাবেক ছাত্রনেতা রনি হত্যার হুমকি :

বেসরকারি উদ্যোগে করোনা আইসোলেশন সেন্টার উদ্বোধন এবং সরকারি সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভিন্নভাবে তা প্রভাবিত করিয়ে চট্টগ্রামে চিকিৎসা পরিস্থিতে অস্থির করে চিকিৎসাহীন রোগী মেরে ফেলাসহ ডা. ফয়সলের অন্যান্য অপকর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নুরুল আজিম রনিকে এ হত্যার হুমকি দেয়ার মতো লোমহর্ষক অডিও রেকর্ড ইতিমধ্যে গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

‘রইন্যার (নুরুল আজিম রনি) মতো চোর-ডাকাতের সাথে কী? দেশ একটু সুস্থ হোক। ওর লাশ দেখা যাবে। ওর লাশ যদি না ফেলি আমার নাম ফয়সাল ইকবাল না।’ – এমন হুমকি দেন চট্টগ্রামে ‘করোনা আইসোলেশন সেন্টার চট্টগ্রাম’র প্রধান উদ্যোক্তা মো. সাজ্জাত হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলার সময়।

মুঠোফোনের এই অডিও ভাইরাস হওয়ার পর সচেতন মহল থেকে প্রশ্ন উঠছে- ‘কার আশ্রয় পশ্রয়ে ফয়সাল ইকবাল এভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে? কার খুঁটির জোরে তিনি এমন ক্ষমতা প্রদর্শনমূলক হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে? ডাক্তারের কাজ ডাক্তারি করা, চিকিৎসা নিয়ে রাজনীতি কেন? এই ডা. ফয়সলের খুঁটির জোর কোথায়? এমনকি কোন ক্ষমতাধর নেতার ছায়াবলে এমন ক্ষমতা প্রদর্শন করছে?’- এভাবে নানা প্রশ্ন।

সম্প্রতি সাজ্জাদ হোসেন, নূরুল আজিম রনিসহ কিছু তরুণদের উদ্যোগে চট্টগ্রামে গড়ে উঠা ‘আইসোলেশন সেন্টার চট্টগ্রাম’ নিয়ে ক্ষুব্ধ ফয়সাল ইকবাল সিটি মেয়র আ জ ম নাছিরের সাফাই গেয়ে অডিওতে বলে উঠেন, ‘মানুষ শোয়ায় রাখার জন্য একটা দরকার, মেয়রেরটা (আ জ ম নাছির উদ্দিন) যথেষ্ট, ওখানে ডাক্তাররাও আছে। আর ওখানে দুনিয়ার চোর-ডাকাত সবগুলোরে নিছ, এখানে আমরা যাবো না।’

নারী চিকিৎসককে হুমকি :

গত ১ ফেব্রুয়ারি (২০২০) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসককে ডেকে নিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক ফয়সল ইকবাল চৌধুরী। এ ঘটনায় ওই নারী চিকিৎসক নিজের নিরাপত্তা চেয়ে চমেক হাসপাতালের পরিচালক বরাবর আবেদন জানিয়েও বিচার পাননি।

এমনকি ডা. ফয়সল ইকবাল ওই নারী চিকিৎসককে সেদিন ‘বেয়াদব’ বলে শাসিয়ে বলেছিল- তিনি (ডা. ফয়সল) না চাইলে তিনি (নারী চিকিৎসক) চমেক হাসপাতালে চাকরি করতে পারবেন না। মেডিকেলেও তাকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এমনকি ওই নারী চিকিৎসককে ‘বেয়াদব’ বলে শাসানোর অভিযোগ উঠে। চমেক হাসপাতালের পরিচালকের কাছে পাঠানো আবেদনে ওই নারী চিকিৎসক লিখেছিলেন, ‘এই অবস্থায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার বিভাগে কর্তব্য পালনে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

চমেক হাসপাতালের পরিচালকের কাছে আবেদন করেও ওই নারী চিকিৎসক কোন বিচার পাননি। এমন অভিযোগ উঠার পরও কর্তৃপক্ষ ডা. ফয়সল ইকবালের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি। প্রশ্ন তুলেছে নানা মহল- ‘কোন ক্ষমতাবলে ডা. ফয়সলের এমন ধাপট? কেন বিচারের আওতায় তাকে আনা হয়নি? তিনি কি আইনের উর্ধে?’

ডা. নীনাকে অবরুদ্ধ ও লাঞ্ছনার অভিযোগ :

এরও আগে নগরীর ইউএসটিসি’র প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয় অধ্যাপক নূরুল ইসলামের মেয়ে ডা. নীনা ইসলামকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠে ডা. ফয়সাল ইকবালের বিরুদ্ধে। ডা. নীনাকে গালাগাল অপমান-অপদস্ত করে তিন কোটি টাকার কাজ হাতিয়ে নেওয়ার খবর গণমাধ্যমে উঠে আসে।

অধ্যাপক ডা. নূরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-ইউএসটিসিসহ বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল কলেজেও তিনি অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থির করে রাখার অভিযোগ রয়েছে।

ডা. ফয়সলের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের আন্দোলন :

২০১৮ সালে শিশু রাইফা হত্যার ঘটনায় বেসরকারি হাসপাতালে কথায় কথায় মানুষ জিম্মিকারী উল্লেখ করে ডা. ফয়সল ইকবালের চিকিৎসা সনদ বাতিল করারও কথা উঠেছিল নগরবাসীর এক মানববন্ধন থেকে।

সেদিন মানবন্ধনে বক্তারা বলেছিলেন, ‘চট্টগ্রামের অধিকাংশ ডাক্তার সুনামের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। কিন্তু কিছু অসাধু চিকিৎসক অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছেন। চিকিৎসক নামের কলঙ্ক এসব মানুষ এ পেশার অবমাননা করছেন। তারা চিকিৎসার নামে বাণিজ্য করছেন। বিএমএকে ব্যবহার করে চিকিৎসক নামধারী ফয়সল ইকবাল চৌধুরী চট্টগ্রামে বদলি বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, চাঁদাবাজি করছে।’

তখন ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী ‘সাংবাদিকদের সন্তানকে আর চিকিৎসা দেব না’ মন্তব্য করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। চট্টগ্রামের বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসক ও হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় শিশু রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় সাংবাদিকরা আন্দোলনে নামলে ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী সাংবাদিকদের সন্তানদের চিকিৎসা না দেওয়ার ঘোষণা দেন।

ডা. ফয়সল ইকবাল সব সময় ভুল চিকিৎসা করা চিকিৎসকদের পক্ষ নিয়ে কথা বলেন এবং উল্টো রোগীর অভিভাবকদের হুমকি দেয়ার নানা অভিযোগ উঠেছে প্রকাশ্যে সমাবেশে।

গৃহবধুকে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি :

এছাড়াও ফয়সাল ইকবালের বিরুদ্ধে এক গৃহবধু হুমকি ধামকি দেওয়ার অভিযোগ নগরীতে আলোচনা জন্ম দিয়েছিল। দেলোয়ারা বেগম নামের ঐ গৃহবধূ অভিযোগ করে করেছিল- ডা. ফয়সাল ইকবাল বিএমএ ভবনে ডেকে নিয়ে গেয়ে দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাকে চাপ দেন এবং ঐ নারীকে বলেছিল, চমেক হাসপাতালের ত্রিপল মার্ডার মামলার আসামী আমি। মামলা না তুললে পরিণতি খারাপ হবে বলেও হুমকি দেন বলেও ডা. ফয়সল ইকবালের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেন।

করোনায় চট্টগ্রামের চিকিৎসাকে পঙ্গু করার অভিযোগ :

সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতিকে পুঁজি করে চট্টগ্রামে চিকিৎসা ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে রাখার অভিযোগ উঠেছে ডা. ফয়সাল ইকবালের বিরুদ্ধে। বেসরকারি ক্লিনিক মালিকদের পক্ষে নিয়ে সরকারের গৃহিত সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অন্যভাবে প্রভাবিত করে চট্টগ্রামের চিকিৎসা ক্ষেত্রকে অস্থিতিশীল করে তোলার অভিযোগ উঠেছে নাগরিক সমাজে।

সর্বশেষ গত ৪ এপ্রিল নগরীর ১২টি বেসরকারী হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসা দেওয়ার সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করলেও এই নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখান ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরীর নেতৃত্বে থাকা ক্লিনিক মালিকদের সংগঠনের চিকিৎসক নেতারা। এসময় সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনকে সামনে এনে বেসরকারি ক্লিনিক মালিকরা নগরীর পরিত্যক্ত একটি হাসপাতলকে করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল করার ঘোষণা দিলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

হলি ক্রিসেন্ট নামক ঐ হাসপাতালটি বর্তমানে সরকারের হস্তক্ষেপ ও লোকবল নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। অভিযোগ আছে, হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতাল নির্মাণের অযুহাত দেখিয়ে দীর্ঘ দুই মাস নগরীর বেসরকারি হাসপাতালে কোন ধরনের রোগীর চিকিৎসা দেয়া হয়নি।

ক্ষমতার অপব্যবহরের অভিযোগ :

‘চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে সাধারণ ডাক্তার ও চিকিৎসা নিতে আসা রোগী এবং তাদের স্বজনদের কাছে আতংকের নাম ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী। তিনি চমেক হাসপাতালের ডাক্তার না হয়েও সেখানে সদর্পে ছড়ি ঘোরান। চমেক হাসপাতালের নিয়োগ-বদলি, ঠিকাদারি থেকে শুরু করে সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন ডা. ফয়সল। তার সবুজ সংকেত না মিললে যেমন কেউ এখানে যোগদান করতে পারেন না, তেমনি চমেক হাসপাতালে কোনো ডাক্তার তার বিরাগভাজন হলে তাকে দ্রুত বদলির শিকার হতে হয়।’- এমনই অভিযোগ উঠেছে চমেক হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে।

এমনকি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো বায়োমেট্টিক মেশিন উপড়ে ফেলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা ও রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহাসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুলকে মিথ্যা অপবাদে অপদস্ত করারও অভিযোগ রয়েছে এই বিএমএ নেতার বিরুদ্ধে। কিন্তু এসব নিয়ে কেউ উচ্চবাচ্য করতে পারেন না।

কে এই ডা. ফয়সল!

২০১২ সালে বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার নির্বাচনে ফলগণনার সময় ব্যালটবাক্স কেড়ে নেয়ার ঘটনাও ঘটে। নিজের প্যানেলের লোকজনকে জেতাতে ডা. ফয়সাল ইকবাল নিজেই ফল গণনার সময় ব্যালট বাক্স কেড়ে নিয়ে ফলাফল উল্টে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনায় সংক্ষুব্ধ প্রতিপক্ষ আদালতে মামলাও দায়ের করেন। পরবর্তীকালে মামলার রায় বাদীর পক্ষে আসে। ফলাফল কারচুপি করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

করোনাকালে স্বাস্থ্যকর্মীদের উস্কানি দেয়ার অভিযোগ :

বেশ কিছুদিন আগে করোনাযোদ্ধা চিকিত্‍‌সক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরুৎসাহিত করে দায়িত্বে থেকে সরকারের অপপ্রচার করার অভিযোগ উঠেছিল ডা. ফয়সলের বিরুদ্ধে। যা শেখ হাসিনা সরকারকে বিব্রত পরিস্থিতি ও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিএমএ নেতার চিকিৎসা রাজনীতি, নিরুৎসাহিত হচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মীদায়িত্বে থেকে সরকারের অপপ্রচারে ব্যস্ত ডা. ফয়সল শিরোনামে সংবাদও প্রকাশিত হয় গণমাধ্যমে।

চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরুৎসাহিত ও উস্কানি দিয়ে ডা. ফয়সল ফেসবুকে লিখেন, ‘দেশ তো দেখি পিপিপিতে সয়লাব, ভিক্ষুকও পিপিপি পড়ে ভিক্ষা করছে। সন্মানিত চিকিৎসক ও চিকিৎসাসেবাকর্মী ভাইয়েরা, লাইভ-এ দেখলাম ১০ লাখের অধিক বিতরণ। আপনারটা পেয়েছেন তো? পিপিপি নয় PPE’

বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার এই নেতা অন্য স্টট্যাসে লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গলা ফাটাইয়া বলতে চাই চট্টগ্রামে কোথাও ১টা N95 মাস্ক সরবরাহ করা হয় নাই। গ্লাভস ও সংকট। পিপিই মান সম্মত নয়।’

দায়িত্বে থেকে সরকারের অপপ্রচারের অভিযোগ :

সম্প্রতি বিএমএ ও সকল বিএমএ শাখার নেতারা এখনও কিভাবে বহিষ্কার না হয়ে চেয়ারে বসে আছে বলে ক্ষমতা প্রদর্শনমূলক প্রশ্ন তুলেছিলেন বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার নেতা ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী। নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে দেয়া বিশেষ দ্রষ্টব্যে প্রতিপক্ষকে ছুঁড়ে মেরে এই প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছিলেন, ‘অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বিএমএ-এর প্রস্তাবনার যথাযথ বাস্তবায়ন করে নিরবিচ্ছিন্ন চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করুন। বিদ্রঃ ভয়ে ভয়ে শেয়ার করলাম আবার না তিনি বলে বসেন, কেন্দ্রীয় বিএমএ ও সকল শাখার বিএমএ নেতারা এখনও কিভাবে বহিস্কার না হয়ে চেয়ারে বসে আছে?’ যা বিএমএ নেতার ফেইসবুকে স্ট্যাটাস নাকি হুমকি! শিরোনামে গণমাধ্যমে প্রকাশিতও হয়েছিল।

ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরীর বাড়ি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ধামইরহাট। তার পিতা মৃত নূরুল আবছার চৌধুরী।

আরও পড়তে নিচে ক্লিক করুন…

# বিএমএ নেতার চিকিৎসা রাজনীতি, নিরুৎসাহিত হচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মী

# বিএমএ নেতার ফেইসবুকে স্ট্যাটাস নাকি হুমকি!

# দায়িত্বে থেকে সরকারের অপপ্রচারে ব্যস্ত ডা. ফয়সল

# ‘অদৃশ্য রাজনৈতিক ছায়াবল ডা. ফয়সলের’

বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ

ট্যাগ :