বাংলাদেশ, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০

বায়েজীদের পাহাড়ে ৩৫০ অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিল প্রশাসন

প্রকাশ: ২০২০-০৬-২৪ ২২:৪৩:১১ || আপডেট: ২০২০-০৬-২৪ ২২:৪৬:৩৯

বাংলাধারা প্রতিবেদন »  

চট্টগ্রামে অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কেটে বাণিজ্য করছে ভূমিদস্যুরা। ফলে পাহাড় ধস ও প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা। পরিবেশ রক্ষায় ও পাহাড়কে বাঁচাতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পাঁচ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টার দিকে নগরীর বায়েজীদের আরেফিন নগর এলাকা, চন্দ্রনগর এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সীতাকুন্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন রায়, কাট্টলী সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম, আগ্রাবাদ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি), ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুস সামাস শিকদার, চান্দগাঁও সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামুন আহমেদ অনীক এবং হাটহাজারির সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ হোসেন।

জানা গেছে, বিভিন্ন সংস্থার ২৫০ সদস্য নিয়ে আজকের অভিযানটি পরিচালনা করে সাত কিলোমিটার সড়কের দুই প্রান্তের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অরা হয়। আজকের অভিযানে ৩৫০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে দখলমুক্ত হলো ১৬ পাহাড়।

পরিবেশবিদরা মনে করছেন, পাহাড়গুলো হচ্ছে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ। এই পাহাড়গুলো পরিবেশের উপাদানগুলো টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করছে। পাহাড় নষ্ট হওয়া মানেই হলো পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া। শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না। প্রয়োজন নিয়মিত মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, বায়েজীদ এলাকায় কিষোয়ান ফ্যাক্টরির পেছনে গ্রীন ভিউ আবাসিক সংলগ্ন নাগিনী পাহাড় কেটে বাণিজ্য করছে ভূমিদস্যুরা। অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কাটার কারণে বৃষ্টিতে বাড়ছে ধস ও প্রাণহানির আশঙ্কা। আমরা যারা এখানে বসবাস করি, প্রতিনিয়ত দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলেই অবৈধ দখলকারীরা আমাদের উপর চড়াও হয়, নানা হুমকি-ধমকি দেয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অভিযান পরিচালনাকালে নানা বাধা-বিপত্তি এসেছিল। তবে তারা পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে যাওয়ায় বাধাদানকারীরা খুব বেশি প্রভাব বিস্তার করতে পারে নি। অভিযানে বাধা দেয়ায় ১০ জনকে সাতদিনের জেল ও বিদ্যুতের ৫০ টি মিটার জব্দ করা হয়েছে বলে জানান তারা।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :