বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০

রেড জোনে লকডাউন কার্যকর করতে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন

প্রকাশ: ২০২০-০৬-২৪ ২২:৫২:১১ || আপডেট: ২০২০-০৬-২৪ ২২:৫২:১৩

বাংলাধারা প্রতিবেদন »  

নগরীর রেড জোন এলাকা উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে লকডাউন কর্যকর করতে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ স্বেচ্ছাসেবকদের তৎপরতা বেড়েছে। শুরুর দিকে নিয়ম ভাঙার প্রবণতা চোখে পড়লেও গত দু’একদিনের কড়াকড়িতে পুরো এলাকার চিত্র পাল্টেছে গেছে।

জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কাউকে লকডাউন এলাকায় ঢুকতে এবং বের হতে দেয়া হচ্ছে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রমাণ করে লকডাউন কার্যকরে প্রশাসনের সদিচ্ছাই যথেষ্ট।

অনেকে নানা প্রয়োজনের কথা বলে বের হতে চাইলেও আটকে দেয়া হচ্ছে তাদের। এতে চাকরিজীবী মানুষ এবং জরুরী সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের অনেকেই পড়েছেন বিপাকে। লকডাউন সুফল পেতে কড়াকড়ি আরোপের বিকল্প নেই বলছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ।

দেশের করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকাকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন বা লাল, হলুদ ও সবুজ – এই তিন ভাগে ভাগ করে জোনভিত্তিক লকডাউন করার পরিকল্পনা করে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে সে ব্যাপারে বিস্তারিত রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছিলো স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইটে।

করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণ হার আছে এমন দশটি জেলাকে চিহ্নিত করে সেগুলোকে রেড জোন হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। চট্টগ্রাম নগরের প্রথম রেড জোন হিসেবে কড়া নজরদারির মধ্য দিয়ে লকডাউন শুরু হয় ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রথমদিকে লকডাউন না মেনে চলার প্রবণতা কমেছে এলাকাবাসীর মাঝেও। স্বেচ্ছাসেবকসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপরতা বেড়েছে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কাউকে লকডাউন এলাকায় ঢুকতে এবং বের হতে দেয়া হচ্ছে না।

স্থানীয় বাসিন্দা হোসাইন আহমেদ বলেন, আসলে প্রথমদিকে ব্যাপারটা বুঝে উঠতে সমস্যা হয়েছে এলাকাসীর। কারও অফিস খোলা ছিল কিন্তু এলাকা লকডাউন, এসব দ্বিধায় ভুগেছে অনেকেই। তবে এই দুই-একদিনে সমস্যাটি কাটিয়ে উঠছে এলাকাবাসী। একই সাথে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন, যার ফলে মানুষ লকডাউন মেনে চলা শুরু করেছে।

ডিউটিরত এক পুলিশ সদস্যের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রথমকিছুদিন অনেকের মাঝে লকডাউন না মানার প্রবণতা দেখা যাওয়ায় কঠোর করা হয়েছে নজরদারি। আগের তুলনায় কমে এসেছে লকডাউন বিশৃঙ্গল অবস্থা। দ্রুতই সবকিছু নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

অনেকে নানা প্রয়োজনের কথা বলে বের হতে চাইলেও আটকে দেয়া হচ্ছে তাদের। এতে চাকরিজীবী মানুষ এবং জরুরী সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের অনেকেই পড়েছেন বিপাকে। লকডাউন সুফল পেতে কড়াকড়ি আরোপের বিকল্প নেই বলছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে রেড জোনভুক্ত ১০ টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রথম দফায় গত ১৭ জুন থেকে লকডাউন করা হয় শুধুমাত্র উত্তর কাট্টলিকে।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :