বাংলাদেশ, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০

কক্সবাজারে বন্দুকযুদ্ধে ৪ রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত

প্রকাশ: ২০২০-০৬-২৬ ১৯:৪২:৩১ || আপডেট: ২০২০-০৬-২৬ ১৯:৪২:৩৩

কক্সবাজার প্রতিনিধি »  

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তের পাহাড়ে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা শীর্ষ ডাকাত আবদুল হাকিমের দুই ভাইসহ ৪ সহযোগি নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৪ অস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি ও ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশের বেশ কয়েক সদস্যও আহত হন। শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তের মনখালীর চেপটখালীর গহীণ পাহাড়ে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন।

নিহতরা হলো, নিহতরা হলেন, বশির আহমদ, মো. হামিদ, মো. রফিক ও রইঙ্গা। তারা শীর্ষ ডাকাত আবদুল হাকিমের সহযোগি ছিলেন। তারা সবাই টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাসিন্দা এবং তাদের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ, ডাকাতি, হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। নিহতরা ক্যাম্পের ত্রাস ছিল। নিহতদের মাঝে প্রথম দুজন ডাকাত হাকিমের ভাই। ঘটনাস্থল থেকে অল্পের জন্য পালিয়ে প্রাণে বেঁচেছেন হাকিম ডাকাত।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন জানান, হাকিম ডাকাত ও তার সহযোগিদের ধরতে জেলা পুলিশ অভিযান অব্যহত রেখেছে। শুক্রবার সকালে খবর আসে হাকিম ডাকাত তার দলবল নিয়ে টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তের মনখালী এলাকায় ইয়াবা ও অস্ত্র লেনদেন করবে। এরপরই পুলিশ সেখানে অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি ঠের পেয়ে গুলি ছুড়ে ডাকাত দল। এতে পুলিশের কয়েক সদস্য আহত হলে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। এক পর্যায়ে ডাকাতদল পিছু হটে পাহাড়ে ঢুকে পরে। পরে ওই এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত দলের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান প্রাথমিকভাবে নিহতদের নাম বশির, হামিদ. রফিক ও রইঙ্গা বলে জানা গেছে। এদের মাঝে প্রথম দুজন রোহিঙ্গা শীর্ষ ডাকাতের হাকিমের ভাই ও বাকি দুজন তার সহযোগী। ঘটনাস্থল থেকে শীর্ষ ডাকাত আবদুল হাকিম পালিয়ে গেলেও ৪ অস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি ও ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। ডাকাত হাকিমকে ধরতে এখনো অভিযান চলছে। এ ঘটনায় পৃথক আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত কয়েকমাসে শীর্ষ ডাকাত হাকিম স্থানীয় ৭ জনকে অপহরণ করে। তাদের মধ্যে দুইজন নির্মমভাবে হত্যাও করা হয়। এরপর থেকে পুলিশ তাকে ধরতে হন্য হয়ে অভিযানে রয়েছে। চলতি বছরের (২৬ জুন) পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৪৭জন নিহত হয়েছে। তার মধ্যে ২৬ জন সক্রিয় ডাকাত ছিল। বাকিরা মাদক কারবারি। সর্বশেষ শুক্রবার হাকিমের ভাইসহ চার ডাকাত ও ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :