বাংলাদেশ, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০

মুজিব বর্ষে বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত করা হয়েছে চট্টগ্রামের অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২০

প্রকাশ: ২০২০-০১-০১ ১৮:০৪:৩৩ || আপডেট: ২০২০-০১-০১ ১৮:০৪:৩৯

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

চট্টগ্রামে অমর একুশে গ্রন্থমেলা- ২০২০ নিয়ে লেখক-পাঠক-প্রকাশক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকদের সাথে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের মতবিনিময় সভা সম্পন্ন হয়েছে।

৩১ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) বিকাল ৫ টায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পুরাতন ভবনের কে বি আবদুচ সত্তার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। 

সিটি কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন। 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীকে নিবেদন করে এবার অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০- চট্টগ্রাম অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

মতবিনিময় কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতে এই বিষয়ে সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন বলেন, এই বছর ২০২০ সাল বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শত বার্ষিকী। আমরা অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০ কে নিবেদন করতে চাই। 

গতবছর অনুষ্ঠিত গ্রন্থমেলা-২০১৯ সালের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও ত্রুটি নিয়ে তিনি আরও বলেন, গতবছর অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৯ এর মতো বড় পরিসরে আগে কখনও চট্টগ্রামে আয়োজিত হয়নি। গতবার আমরা যতটুকু আশা করেছিলাম তার চেয়ে বেশি জমেছে বইমেলা। আমাদের আশার চেয়েও অনেক বেশি দর্শনার্থী ও পাঠকের সংখ্যা মেলায় এসেছিল। যার কারণে কিছু ত্রুটি ও সমস্যা দেখা দিয়েছি। এবার আমরা সেই সব কিছু বিবেচনা করে ভুল-ভ্রান্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে চট্টগ্রামে অমর একুশে বইবেলা নিয়ে নতুন ভাবে পরিকল্পনা করেছি।

এবারের বইমেলাও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আয়োজন করছে। আবারও সার্বিক সহযোগিতায় থাকবে সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদ, চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশ জ্ঞান ও প্রকাশনা সমিতি। 

এর বাইরে মেয়র নাছির উদ্দিন চট্টগ্রামের সকল লেখক, পাঠক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকদের সহযোগিতার বিষয়ে বলেন, এটি শুধু সিটি কর্পোরেশনের নয়, এটি সবার। এই মেলাটিকে সফল করার জন্য আপনাদের সবার সহযোগিতা লাগবে। 

এবার বইমেলা সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে এবং ক্রেতাদের সুবিধার্থে বেশ কয়েকটি পরিকল্পনা করা হয়েছে। যেমন, এবার মেলায় ঢোকার ও বের হওয়ার পৃথক গেট থাকবে, যাতে ক্রেতারা সহজে ঢুকতে ও বের হতে পারে। পুরো মেলার একটি ডিজিটাল ম্যাপ থাকবে, যাতে ক্রেতারা সহজে কাঙ্খিত স্টলে পৌঁছাতে পারে। লেখক আড্ডা ও গণমাধ্যম কর্মীদের জন্যও থাকবে আলাদা স্টল। স্টল ভাড়া হিসেবে প্রকাশকদের কাছ থেকে যে ভাড়া নেয়া হবে সেটা দিয়ে সিটি কর্পোরেশন প্রতিটি স্টলকে কিছুটা সাজিয়ে দেয়া হবে।

এছাড়া, এবার মেলা শিশুদের জন্য আলাদা কর্ণার করা হবে, যাতে অভিভাবকরা সহজে শিশুদের নিয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে হয়রানি না হয়ে বই কিনতে পারে। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহবুদ হাসনী, সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি কালধারার প্রকাশক শাহ আলম নিপু, সাধারণ সম্পাদক বলাকা প্রকাশনীর প্রকাশক জামাল উদ্দিন, শিক্ষাবিদ হাসিনা জাকারিয়া বেলা, শিক্ষাবিদ ও লেখক মোহিত উল আলম, শিক্ষাবিদ ও লেখক আজাদ বুলবুল, দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশের সহযোগি সম্পাদক কামরুল হাসান বাদল, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিনিদিনের চট্টগ্রাম ব্যুরো রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চ্যানেল আইয়ের চট্টগ্রাম ব্যুরো চৌধুরী ফরিদ, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু, লৌকসঙ্গীত গবেষক ইকবাল হায়দার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আলম খোরশেদ সহ আরো অনেকে।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :

close