বাংলাদেশ, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০

আনোয়ারায় আগাম তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

প্রকাশ: ২০২০-০১-০২ ১৭:২৮:৫৯ || আপডেট: ২০২০-০১-০২ ১৮:৩৬:৫২

আনোয়ারা প্রতিনিধি »

আনোয়ারায় আগাম তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে প্রচুর চাহিদা থাকায় বাড়তি দাম পাচ্ছেন চাষীরা। এতে কৃষকরা বেজায় খুশি।

উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের শঙ্খের মোহনায় ধলঘাট থেকে বার আউলিয়া পর্যন্ত উপকূলজুড়ে ও পারকি সমুদ্র সৈকতের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় আগাম তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ধলঘাট থেকে বার আউলিয়াসহ উপজেলার উপকূলের বিস্তৃত এলাকা জুড়ে তরমুজের বিশাল ক্ষেত। এখানে সারা বছরই কোনো চাষাবাদ হয়না। ফলে এসব বিস্তৃত ভূমিতে আগাম তরমুজ চাষ করে থাকেন।

স্বাভাবিকভাবে বাজারে তরমুজ পাওয়া যাবে আরো এক থেকে দেড় মাস পর। কিন্তু আনোয়ারা উপক’লে চাষকৃত তরমুজ ইতিমধ্যে বিক্রি শুরু হয়ে গেছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় তরমুজ খুবই মিষ্টি যার ফলে কৃষকরা তরমুজ বিক্রি করে তাদের ধারণামত টাকা পাচ্ছেন।

উপজেলার ধলঘাট ও বার আউলিয়ার চর উপকূলের চাষি আব্দুল আলীম জানান, আমরা এবার তিন মাস আগে থেকেই ২২ কানি জমিতে আগাম তরমুজ চাষ করেছি। পরে ক্ষেতে পরিচর্যার পাশাপাশি নিয়মিত সার, পানি, বিভিন্ন ভিটামিন প্রয়োগ ও আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমাদের এবার খরচ হয়েছে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। আমরা ইতোমধ্যে ১ লক্ষ টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি। মোট ১৫ লক্ষ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবো।

কৃষক নেজাম উদ্দিন জানান, আমরা নিজস্ব উদ্যেগে এবার দুই কানি জমিতে তরমুজ চাষ করি। প্রথমে বীজ বপন করলে এতে কিছুদিন পরে অসুখে চারা গুলো মরে যায়। আমরা আবার বীজ বপন করি এবং ফসল পাওয়া পর্যন্ত আমার খরচ হয় এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা।

তবে কৃষকরা জানান, স্থানীয় কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের কোন সহযোগিতা বা পরামর্শ আমরা পাইনি। আমরা এবার সম্পূর্ণ নিজস্ব ধারনায় চাষাবাদ করেছি। কৃষি অফিসের পরামর্শ পেলে আরো ভাল লাগত।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আনোয়ারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসানূজ্জামান চৌধুরী বলেন, চলতি বছরে পারকি, ফুলতলা, বার আউলিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় ১৮০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হচ্ছে। আগামীতে আমরা তরমুজ চাষে কৃষকদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করব।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ

ট্যাগ :

close