বাংলাদেশ, রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

শীত আর বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রকাশ: ২০২০-০১-০৩ ২০:০১:১৩ || আপডেট: ২০২০-০১-০৩ ২০:০১:১৯

বাংলাধারা প্রতিবেদন »  

পৌষ মাসে হঠাৎ বৃষ্টিপাতে শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। কোথাও গুড়িগুড়ি আবার কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিপাতের সঙ্গে হিমেল বাতাসের দাপটে নেমেছে তাপমাত্রার পারদ। হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু প্রকৃতি। অনেক জায়গায় বেলা পর্যন্ত  সূর্যের দেখা মেলেনি। ফলে আরও ছোট হয়ে আসে দিনের পরিধি। অসময়ের বৃষ্টিতে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।পৌষের কনকনে শীতে থেমে থেমে হওয়া বৃষ্টিতে রাস্তাঘাটে মানুষের তেমন চলাফেরা নেই বললে চলে।

কনকনে ঠাণ্ডা আর বৃষ্টিতে চরম বিপাকে পড়েছেন হতদরিদ্র, ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ। এর মধ্যেই রুটি-রুজির সন্ধানে মাঠে নামতে হয়েছে খেটে খাওয়া মানুষকে। কষ্টের কথা বলতে গিয়ে অনেকে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছেন।বৃষ্টিতে কৃষকের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে। ঠান্ডায় নষ্ট হচ্ছে খেতের ফসল।  সরষে, লাউ ও মরিচের ফুল পচে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষিরা। পাশাপাশি প্রচণ্ড শীতে গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, পশ্চিমা লঘু চাপের ফলে বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী রোববার পর্যন্ত এই বৃষ্টিপাত চলবে। এতে কমবে তাপমাত্রা। এছাড়া মেঘ কেটে যাওয়ার পর চলতি মাসের মাঝামাঝি ও শেষ সপ্তাহে শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়তে পারে দেশ। ঢাকায় যা মাঝারি আকারে হতে পারে।শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আবারও বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ফলে শীতের প্রকোপও বাড়তে শুরু করেছে। শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকেই আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন । দিনের অধিকাংশ সময়ই মেঘের আড়ালে ঢাকা ছিল সূর্য । দুপুরের পর থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। বিকেল গড়াতেই শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি, যা সন্ধ্যার পরও অব্যাহত ছিল। বৃষ্টিরকারণে নগরজীবনে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। নগরীতে কমে যান যানবাহনের সংখ্যা। বিভিন্ন মোড়ে বৃষ্টিতে ভিজে যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে অনেককে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শীত মৌসুমের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত এটি। রোববার ভোর পর্যন্ত বৃষ্টিপাত থাকতে পারে। এরপর চট্টগ্রামের তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে বলে জানানো হয়।

অন্যদিকে, এমন পরিস্থিতিতে দেশের উত্তরের ১৬ জেলায় শীতের কাপড় ও শুকনো খাবার বিতরণ করবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :

close