বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০

কৃষি ও কৃষক বাঁচানোর আহ্বান সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ফ্রন্টের

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৭ ২৩:৪১:৩০ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৭ ২৩:৪১:৩৩

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

প্রতিটি ইউনিয়নে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খুলে কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় এবং বাজেটে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ শতাংশ কৃষি খাতে বরাদ্দের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট
পটিয়া উপজেলা শাখা।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) পটিয়া উপজেলার ডাক বাংলো চত্বরে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট পটিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা বাসদ নেতা কমরেড সেলিম উদ্দিন, হারুনুর রশিদ মাহবুব, কৃষক ফ্রন্ট পটিয়া উপজেলা আহবায়ক মুবিনুল হোক সাব্বির, সদস্য সচিব নাসু মিয়া, সদস্য নুরুল করিম, আহমেদ নূর, রায়হান উদ্দিন, মিজানুর রহমান।

এসময় বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস বাংলাদেশের জীবন ও জীবিকাকে মারাত্মক আঘাত হেনেছে। কোভিড-১৯ এর সংক্রমণে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দৈন্য প্রকাশিত হয়েছে। কৃষি, শিক্ষা, শিল্প অর্থনীতিও বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন। আমদের দেশ কৃষি প্রধান দেশ। দেশের মোট শ্রম শক্তির শতকরা ৫৪ ভাগ কৃষিতে নিয়োজিত জিডিপির ১৪ শতাংশ প্রত্যক্ষভাবে আসে কৃষি থেকে। কিন্তু বরাদ্দের দিক থেকে বাজেটে এই খাত বরাবরই অবেহেলিত। করোনা বিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠননে কৃষিই হতে পারে অন্যতম ভরসার জায়গা।

বাংলাদেশের কৃষক-কৃষি ও গ্রামীন শ্রমজীবী মানুষ সংকটে জর্জরিত বক্তারা আরো বলেন, কৃষক একদিকে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না অন্যদিকে ভোক্তা সাধারণ বাড়তি দামে সবজিসহ সবকিছু কিনতে বাধ্য হচ্ছে। এখন বোরো ধানের মৌসুম চলছে। সরকার ধানের দাম প্রতি মণ ১০৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু উৎপাদক কৃষক নির্ধারিত দাম পাচ্ছে না। এসময় বক্তারা সরকারি উদ্যোগে কৃষকের কাছ থেকে ৪০ লাখ টন ধান ক্রয় করার দাবি জানান।

পরে বাজেটে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ ভাগ কৃষি খাতে বরাদ্দ করা, প্রতি ইউনিয়নে ক্রয়কেন্দ্র খুলে সরকার নির্ধারিত দামে উৎপাদক কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়, মোট উৎপাদিত বোরো ধানের কমপক্ষে ৪০ লাখ টন ধান সরকারি উদ্যোগে ক্রয় করা, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নগদ অর্থ সহায়তা দেয়া, কৃষি ঋণ প্রণোদনা প্যাকেজ সুদ মুক্ত করে বর্গাচাষি, ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র চাষীদের ঋণ প্রাপ্তির নিশ্চিত করা ও সার, বীজ, সেচ,ডিজেল, বিদ্যুৎ,কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণে সরকারি সহায়তা বাড়ানোর দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ

ট্যাগ :

close