বাংলাদেশ, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২০

কাঁচা মরিচের ঝাল খেলে গুনতে হবে দ্বিগুণ টাকা !

প্রকাশ: ২০২০-০৭-০৩ ১১:১২:২৭ || আপডেট: ২০২০-০৭-০৩ ১১:১২:২৮

বাংলাধারা প্রতিবেদন »  

কাঁচা মরিচের ঝাল খেতে হলে ভোক্তাদের এখন কেজিতে গুনতে হবে দ্বিগুণ টাকা। প্রতিকেজি কাঁচামরিচে সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০ থেকে ৬০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। চট্টগ্রাম মহানগরীর বাজারগুলোতে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হওয়ায় ভোক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) নগরীর কাজিরদেউরি বাজার, রিয়াজুদ্দিন বাজার, চৌমুহনী কাঁচাবাজার, বহদ্দারহাট বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন- টানা বৃষ্টিতে কাঁচা মরিচের ক্ষতি হয়েছে, এজন্য দাম বেড়েছে।

তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, কার্যকরী বাজার তদারকি ব্যবস্থা না থাকায় হঠাৎ করেই ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এখন বাজারে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বিন্দু জাতের মরিচ। এ মরিচ ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ টাকা। ৭০ টাকার জিটকা ও জিয়া বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। গত সপ্তাহে ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া সাদা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

কাঁচা মরিচের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে রিয়াজুদ্দিন বাজারের ব্যবসায়ী মো. কাশেম বলেন, ‘বৃষ্টিতে মরিচের অনেক ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। আবার অনেক জায়গায় বন্যাও হয়েছে। এ কারণে দাম বেড়েছে।’

তিনি বলেন, আমদানি কম হওয়ায় দাম বেড়ে গেছে। আর আমাদের বিক্রিও কমে গেছে। এত দামের মরিচ কেউ খেতে চায় না।’ এ অবস্থা মাসখানেক বা তার বেশি থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।’

কাজিরদেউরি বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মো. নাসির জানান, আড়তে আগের মত মরিচ আসে না। দাম বাড়ছে আর বিক্রিও কমছে। আগে ১০ কেজি মরিচ বিক্রি করতাম এখন তিন কেজিও বিক্রি হয় না।

চৌমুহনী কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা জেসমিন আক্তার বলেন, ‘করোনার কারণে মানুষের আয় ইনকাম কমছে। আর সবজির দামও বাড়ছে। মরিচের দাম বাড়ছে সবচেয়ে বেশি। আগে এক পোয়া মরিচ কিনতাম ২০ টাকা দিয়ে। এখন তা কিনতে হচ্ছে ৪০ টাকা দিয়ে। সময় খারাপ, কি করে যে চলবো। বাজার তদারকিও করা হয় না। কার্যকরী বাজার তদারকি ব্যবস্থা থাকলে হয়তো এতটা বাড়তো না।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :

close