বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

চট্টগ্রামের কাঁচা বাজারে নাভিশ্বাস ক্রেতাদের

প্রকাশ: ২০২০-০৮-২৮ ১২:১২:১৫ || আপডেট: ২০২০-০৮-২৮ ১২:১২:১৭

বাংলাধারা প্রতিবেদন »  

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের কাঁচা বাজারগুলোতে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সবজির বাজারে বিরাজ করছে আগুন দাম। এই দাম বৃদ্ধিতে ব্যয়ের চাপে পড়েছেন কম আয়ের মানুষ। তবে নাভিশ্বাস উঠলেও বাধ্য হয়ে বাড়তি দামেই বাজার সেরে ঘরে ফিরছেন ক্রেতারা।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সরেজমিনে নগরীর কাঁচা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। প্রতিটি সবজির দাম চড়া। কেজিতে ৫০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি।

বাজারে চিচিঙ্গা প্রতিকেজি ৪৫ টাকা, কাকরোলের কেজি ৬০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ঝিঙে কেজি ৫০ টাকা, কাচা পেঁপে কেজি ৪০ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, ঢেঁড়স কেজি ৫০ টাকা, আলুর ৩৫ টাকা, ফুলকপি ১৫০ টাকা, বেগুন কেজি ৬০ টাকা, শসা কেজি ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৭০ টাকা, ধুন্দল কেজি ৪৫ টাকা, বরবটি ৯০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, শিমের বিচি কেজি ৩৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে এক আঁটি মিষ্টি কুমড়ার শাক বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা, পাটশাক ১৫-২০ টাকা, লালশাক ১০-১৫ টাকা, পুঁইশাক ১৫-২০ টাকা, পালং শাক ১৫ টাকা এবং জোড়া আঁটি কলমি শাক ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা ব্যাংকার শফিউল আলম বাংলাধারাকে জানান, সবজির বাজার খুবই চড়া। ৫০ টাকার নিচে কোন সবজি নাই। বেশকিছু দিন ধরেই এ অবস্থা চলছে। আমাদের মত চাকরিজীবীদের হিমশিম খাওয়ার মত অবস্থা হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বন্যা এবং ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সারাদেশে সবজির উৎপাদন কমে গেছে। যার প্রভাব সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। আর টমেটো ও গাজরের এখন মৌসুম না। এ কারণে এই দুই সবজির দাম সবচেয়ে বেশি।

এদিকে পাঙ্গাস ১৫০-২০০, তেলাপিয়া ১৫০-২০০, পাবদা ৩৫০-৪০০, শিং ৩০০-৫০০, মাগুর ৫০০-৬০০ এবং চিংড়ি আকারভেদে ৬০০-১২০০, লইট্টা ২০০, সামুদ্রিক বাইলা ৩০০, দেশি বাইলা ৬০০, রূপচাঁদা ৬৫০, কোরাল ৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৫০০-৭৫০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৮০০ টাকায়।

প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকায়, পাকিস্তানি সোনালী মুরগি ২৫০ টাকা, আর দেশি মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৩০-৪৪০ টাকায়। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

ট্যাগ :

close