বাংলাদেশ, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

পুঁজিবাজারে ১১ সপ্তাহ ধরে চাঙাভাব

প্রকাশ: ২০২০-০৯-০৬ ১৩:৫২:৫৬ || আপডেট: ২০২০-০৯-০৬ ১৩:৫২:৫৮

বাংলাধারা ডেস্ক »

টানা ১১ সপ্তাহ ধরে চাঙাভাব বিরাজ করছে দেশের পুঁজিবাজারে। উভয় বাজারে মূল্য সূচক বাড়ার পাশাপাশি সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। এতে বেড়েছে সবকটি মূল্য সূচক। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজার মূলধনও। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১০ বছর পর ফুরফুরে মেজাজে চলছে দেশের পুঁজিবাজার।

মহামারী শুরুর পর গত জুনে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪ হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে গিয়েছিল। বর্তমনে তা উঠে এসেছে ৪ হাজার ৯০০’র উপরে। জুন মাসে যেখানে লেনদেন নেমে গিয়েছিল ৫০ কোটির ঘরে; সেই দশা কাটিয়ে এখন লেনদেন হচ্ছে হাজার কোটির উপরে।

দেখা গেছে, জুলাই ও আগস্ট— এই দুই মাসেই ৬০ হাজার ৮১২ কোটি টাকা মূলধন বেড়েছে। গত জুলাই মাসের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ১১ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা। এখন এই বাজারের মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা।

অথচ দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ এখনও সেভাবে কমেনি, অর্থনীতির চাকাও সচল হয়নি পুরোপুরি, তারপরও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পুঁজিবাজার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা সক্রিয় হওয়ায় সমন্বয়হীনতা কমেছে, তার সুফল পাচ্ছে পুঁজিবাজার। ব্যাংকে সুদের হার কমে আসায় নতুন বিনিয়োগ পাচ্ছে পুঁজিবাজার। অন্যদিকে বড় বিনিয়োগকারীরাও আবার বাজারে ফিরে আসছেন।

বাজার পরিস্থিতি ভালো হওয়ার পেছনে নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের নেওয়া উদ্যোগগুলো বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন ডিএসই ব্রোকারেজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী। তিনি বলেন, বিএসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া উদ্যোগের ফলে বাজার স্বাভাবিক হচ্ছে। এরই মধ্যে ছো্ট-বড় বিনিয়োগকারীরা বাজারে আসতে শুরু করেছে। যে কারণে বাজার ১১ সপ্তাহ ধরে চাঙাভাবে রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন ব্যাংকের আমানতের উপর সুদ হার ৬ শতাংশ। ব্যাংকগুলোতে এখন তারল্য প্রবাহ অনেক। এই দুটো ইতিবাচক প্রভাব এসেছে পুঁজিবাজারে। একদিকে বড় বিনিয়োগকারীরা ফিরছে পুঁজিবাজারে, অন্যদিকে ব্যাংকগুলোও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। ফলে বদলে যাচ্ছে পুঁজিবাজারের গতি-প্রকৃতি।

বাংলাধারা/এফএস/এএ

ট্যাগ :

close