বাংলাদেশ, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সাগরে মাছ শিকারে প্রস্তুত লতিফপুরের জেলেরা

প্রকাশ: সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১

শাহ আব্দুল্লাহ আল রাহাত  »

শেষ হয়েছে বঙ্গোপসাগর ও নদীর মোহনায় মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা। এ অবস্থায় খুশির জোয়ার বইছে জেলেদের ভেতর। আবারো ট্রলার নিয়ে সাগরে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। মঙ্গলবার (০৩ আগস্ট) বঙ্গোপসাগরের গভীরে মাছ ধরতে যাবেন চট্টগ্রামের লতিফপুরের জেলেরা। আর তাই জাল ছিঁটিয়ে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি সেরে নিতে দেখা যায় টোল রোড, ফৌজদারহাট সংযোগ সড়ক পাশ্ববর্তী বসবাসরত লতিফপুর, পাক্কারমাথার জেলেদের।

গভীর সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের সাথে লড়াই করে মাছ শিকারের যে সংগ্রাম সেটিকে প্রধান উপজীব্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন চট্টগ্রামের প্রায় ২ লাখ জেলে। তন্মধ্যে চট্টগ্রামের লতিফপুরে জেলে পেশার সাথে সম্পৃক্ত আছেন প্রায় ৮০০ থেকে ১০০০ হাজার জন। দীর্ঘ ৬৫ দিন মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামীকাল দুপুরে একে একে গভীর সাগরে রওনা হবেন ৩৫ থেকে টি ৪০ ট্রলার এবং বোট। প্রতিটি ট্রলারে থাকবেন ১২ থেকে ১৩ জন জেলে। গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে তারা সেখানে অবস্থান করবেন ৩ থেকে ৪ দিন। এছাড়া বড় ট্রলার গুলো ফিরবে ৮ থেকে ১০ দিন পর।

সমুদ্রগামী বড় ট্রলার গুলোতে ৫ থেকে ৬ হাজার ইলিশ শিকার করে বাড়ি ফিরবেন বলে আশা করছেন লতিফপুরের জেলেরা।এছাড়া অন্যান্য দেশীয় মাছ শিকার করার কথা বলেন তারা। এসব মাছ সংরক্ষণের জন্য প্রতিটি বড় ট্রলারে ১০ থেকে ১৫ মণ বরফ নিয়ে যাবেন জেলেরা। এছাড়া ছোট ট্রলার গুলোতে মাছ সংরক্ষণের জন্য নেওয়া হবে ৬ থেকে ৭ মণ বরফ।

আগামীকাল রওনা হওয়ার পর ৮ থেকে ১৬ আগস্টের মধ্যে জেলেরা আবারও ফিরে আসবেন তীরে, সাথে নিয়ে ফিরবেন ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। লতিফপুর, পাক্কারমাথার জেলে মোহাম্মদ লিটন বাংলাধারাকে জানান, ‘আজকে আমরা জাল গুলো ট্রলারে ওঠাবো আগামীকাল আমরা রওনা হবো। আবাহাওয়ার পর নির্ভর করবে আমরা সাগরে কয়দিন অবস্থান করবো। এই মৌসুমে প্রতি ট্রলারে হাজার হাজার ইলিশ নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন লতিফপুরের জেলেরা; আমরা সেই আশা করছি।’

জেলে পেশার সাথে সম্পৃক্ত মোহাম্মদ রিয়াজ বাংলাধারাকে জানান, ‘ইতিমধ্যে অল্প সংখ্যক ট্রলার রওনা দিয়েছে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে। তবে বেশীরভাগ ট্রলার আগামীকাল রওনা হবে গভীর সাগরে। আল্লাহ চাইলে আমরা হাজার হাজার ইলিশ শিকার করে তীরে ফিরবো।’

বাংলাধারা/এফএস/এআর

close