বাংলাদেশ, ২৯শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে খুচরা বাজারে কমেনি পেঁয়াজের দাম

প্রকাশ: সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১

বাংলাধারা প্রতিবেদক»

রান্নায় প্রতিদিনের অতি প্রয়োজনিয় মসলা পেঁয়াজ। এটি ছাড়া কোনো রান্না হয়না বললেই চলে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বাজারে নিদিষ্ট দামে স্থির হয়ে আছে পেঁয়াজের দাম। কোরবানির ঈদের পরে একদফা দাম কমলেও এখন আর কমছে না। এদিকে বাজারে নতুন পেয়াঁজ আসার সময় হয়েছে।

চাক্তাই খাতুনগঞ্জের আড়তদাররা বলছেন, করোনার কারণে বাজারে চাহিদা কম। এছাড়া লকডাউনের সময় পেয়াঁজ আমদানিও তুলনামুলক কম হয়েছে। আবার লকডাউন খোলার পরে বেড়েছে চাহিদা। এদিকে আমদানি শুরু হলেও এখনো নতুন চালান আসেনি। এসব কারণে দীর্ঘদিন ধরে পেয়াঁজের বাজার অপরিবর্তিত রয়েছে। এছাড়া নতুন পেয়াঁজ আসার সময়ও হয়ে গেছে। ২০ দিনের মধ্যে ভারত থেকে আসবে নতুন পেয়াঁজ। তাই সামনে দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

গতকাল নগরীর বাজারগুলোতে প্রতিকেজি পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে ৪২-৪৫ টাকায়। একইভাবে অপরিবর্তিত রয়েছে আদা, রসুনের দামও।

চাক্তাই আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আহসান খালেদ বলেন, ‘এতোদিন দেশে লকডাউনের কারণে বাজার চাহিদা কম ছিল। এছাড়া করোনার কারণে ভারতীয় পেয়াঁজ আমদানি কম হয়। এখন আবার আমদানি হচ্ছে। এদিকে লকডাউন উঠার পরে বাজারে চাহিদা বেড়েছে। এছাড়া ২০ দিনের মধ্যে ভারতীয় ও মিয়ারমার থেকে নতুন পেয়াঁজ আসবে। তখন পেয়াঁজের দাম কমবে।’


খাতুনগঞ্জের আড়তদার মহিউদ্দিন বলেন, ‘পাইকারিতেও দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে পেয়াঁজের দাম। নতুন চালান আসার সময় হয়েছে। সামনে দাম কমবে। পাইকারিতে পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৩৬ টাকা। দেশি রসুন ৪০-৫০ টাকা ও চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯২ টাকা। কিন্তু খুচরা বাজার মুল্য কেন কমছে না কেন এটা জানি না।’

বাংলাধারা/এফএস/এফএস

ট্যাগ :

close