logo
ইয়েমেনে ২০ লাখ মুসলমানের অংশগ্রহণে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন
#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক »

ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ দেশটির ১৪টি প্রদেশের ২৭টি শহরে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের অংশগ্রহণে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়েছে। খবর পার্সটুডের

শনিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানী সানায় ২০ লক্ষাধিক মানুষের মহাসমা‌বে‌শে বক্তব্য দেন ইয়েমেনের জনপ্রিয় হুথি আনসারুল্লাহ নেতা সাইয়্যেদ আবদুল মালেক বদরুদ্দিন আল-হুথি। তিনি ইয়েমেনে সৌদি আরবের আগ্রাসন বন্ধ ও অবৈধ অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি জানান।

একইসঙ্গে তিনি ফিলিস্তিনে ইসরাইলের বর্বরতার সমালোচনা করেন এবং তেল আবিবের সঙ্গে সমর্থন স্থাপনকারী দেশগুলোর তীব্র সমালোচনা করেন।

নবীপ্রেমিক ইয়েমেনিরা প্রতি বছরই পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করে থাকেন।

হিজরি বর্ষের ১২ রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়।

৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে আরবের মরু প্রান্তরে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। আবার ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের একই দিনে পৃথিবী ছেড়ে চলে যান তিনি।

১২ রবিউল আউয়ালকে অশেষ পুণ্যময় ও আশীর্বাদধন্য দিন হিসেবে বিবেচনা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। আরব জাহান যখন পৌত্তলিকতার অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল, তখন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছিলেন মহান আল্লাহ।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) নবুয়তপ্রাপ্তির আগেই ‘আল-আমিন’ নামে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তার এই খ্যাতি ছিল ন্যায়নিষ্ঠা, সততা ও সত্যবাদিতার ফল। তার মধ্যে সম্মিলন ঘটেছিল সমুদয় মানবীয় সদগুনের: করুণা, ক্ষমাশীলতা, বিনয়, সহিষ্ণুতা, সহমর্মিতা, শান্তিবাদিতা। আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি কর্মময়তাও ছিল তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ইসলামের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হিসেবে বিশ্বমানবতার মুক্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা ছিল তার ব্রত।

ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়নির্বিশেষে সর্বশ্রেষ্ঠ মানবিক গুণাবলির মানুষ হিসেবে তিনি সব কালে, সব দেশেই স্বীকৃত।