logo
হাইকোর্টের রায় স্থগিত, দায়িত্ব পালন করবেন নিপুণ
#

বিনোদন ডেস্ক »

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণ আক্তারকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী ঘোষণা করা আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

এ অবস্থায় আপাতত সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চিত্রনায়িকা নিপুণ দায়িত্ব চালিয়ে যেতে পারবেন। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ সোমবার এ আদেশ দেন। এ সময় আদালতকক্ষে নিপুণ ও জায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৩ নভেম্বর নিপুনের আইনজীবী সময় চেয়ে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ শুনানি করা হয়। আদালতে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি।

নিপুণের পক্ষে ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। এর আগে ১৩ মার্চ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে চেম্বার আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ নিপুণ আক্তার ও জায়েদ খানকে কঠোরভাবে পালন করার আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

৮ মার্চ সাধারণ সম্পাদক পদে স্থিতাবস্থার আদেশের পরও সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসায় নিপুণ আক্তারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করেছিলেন জায়েদ খান।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন প্রাথমিক ফলাফলে জায়েদকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচনী আপিল বোর্ডের কাছে এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন নিপুণ।

আপিল বোর্ড সমাজসেবা অধিদপ্তরে চিঠি পাঠায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ ফেব্রুয়ারি সমাজসেবা অধিদপ্তর এক চিঠিতে জানায়, আপিল বোর্ড এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ড জায়েদের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে।

এ অবস্থায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের ২ ফেব্রুয়ারির চিঠি ও আপিল বোর্ডের ৫ ফেব্রুয়ারির সিদ্ধান্ত নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন জায়েদ। রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে গত ২ মার্চ রায় দেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের রায়ে জায়েদের প্রার্থিতা বাতিল করে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে নিপুণকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী ঘোষণা করে নেওয়া আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এর ফলে জায়েদের প্রার্থিতা বৈধতা পায়।

হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে নিপুণ আপিল বিভাগে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ মার্চ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান।

অন্যদিকে গত ৬ মার্চের আদেশ না মানায় নিপুণ ও আপিল বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ হোসেনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আবেদন করেন জায়েদ।