গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত। রেজি নং-০৯২

রেজিঃ নং-০৯২

ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৩ ৬:০৭ অপরাহ্ণ

ব্রাজিলের ক্লাবে যাচ্ছেন বাংলাদেশি ফুটবলার নাজমুল

ক্রীড়া ডেস্ক »

লাতিন আমেরিকার অন্যতম ফুটবল পরাশক্তির দেশ ব্রাজিলের একটি ক্লাবে ডাক পেয়েছেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের মিডফিন্ডার নাজমুল হোসেন আকন্দ। দেশটির সালতোয় তৃতীয় বিভাগের খেলা একটি ক্লাবে ট্রায়াল দেবেন তিনি। সেখানে ট্রায়ালের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হলে নাজমুলের সাথে এক মৌসুমের জন্য চুক্তি করবে ক্লাবটি।

এর আগে ২০১৯ সালেও ব্রাজিলে গিয়েছিলেন নাজমুল। সেবার ব্রাজিল সরকারের সহযোগিতায় উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য নাজমুলসহ আরও তিন কিশোর ফুটবলার জগেন লাকরা, লতিফুর রহমান ও ওমর ফারুককে দেশটির গামা শহরে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

নাজমুল এবার নেইমারদের দেশে প্রশিক্ষণ নয়, ফুটবল খেলার দারুণ সুযোগ পেয়েছেন। এ জন্য ঢাকার ব্রাজিল দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করলেও কিছুদিন আগে তাকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) ব্রাজিলে যাওয়ার ভিসা হাতে পেয়েছেন নাজমুল।

রংপুরের পীরগঞ্জে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার যুবক বয়সে রংপুরের জেলা দল ও বিভাগীয় দলে খেলেছেন। চলতি মৌসুমে মোহামেডানে যোগ দিয়েছেন এই মিডফিল্ডার। সেখানে যোগ দেওয়ার আগে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব ও আরামবাগের জার্সিতে খেলেছেন তিনি। বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে ঢাকা ওয়ান্ডারার্সেও ছিলেন নাজমুল।

ব্রাজিলের ক্লাব থেকে প্রস্তাব পেয়ে রোমাঞ্চিত নাজমুল গণমাধ্যমকে জানান, ব্রাজিলে ট্রেনিং করে আসার পর থেকে ওদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করেছি। ওরা আমাকে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। তাদের আমন্ত্রণে আমি বেশ খুশি। সেখানে ট্রায়ালে ভালো করলে ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি হয়ে যাবে। এরপর তৃতীয় বিভাগের ক্লাবে খেলতে পারব।

ব্রাজিলে খেলে নিজের স্বপ্ন পূরণের কথাও জানিয়েছেন নাজমুল। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ব্রাজিল ফুটবলার তৈরির কারখানা। আমার স্বপ্ন ছিল বিদেশের লিগে খেলা। যদি এক বছর ভালোভাবে ট্রেনিং করি, তাহলে আমার বিশ্বাস, পারফরম্যান্সের উন্নতি হবে। এরপর অন্য দেশেও খেলতে পারব।’

ব্রাজিলের ক্লাবে ডাক পেয়ে নাজমুল ভিসার ব্যবস্থা করতে পারলেও বিমানের টিকিটের টাকা জোগাড় করতে পারছেন না। পেশায় অটোরিকশাচালকের ছেলে নাজমুল তাই আপাতত তার ক্লাব এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দিকে চেয়ে আছেন।

এই বিষয়ে এই ডিফেন্ডার বলেন, ‘গতবার তো সরকারের খরচে গিয়েছিলাম। কিন্তু এবার নিজের খরচে যেতে হবে। যাওয়া–আসার টিকিট বাবদ প্রায় ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা লাগবে। টাকা জোগাড়ের অপেক্ষায় আছি। এরই মধ্যে মোহামেডান ক্লাব কর্তৃপক্ষ এবং ক্রীড়ামন্ত্রীকে জানানো হয়েছে। ক্লাব থেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আশা করছি, দ্রুতই টাকা পেয়ে যাব।’

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on telegram
Telegram
Share on skype
Skype
Share on email
Email

আরও পড়ুন

অফিশিয়াল ফেসবুক

অফিশিয়াল ইউটিউব

YouTube player